প্রতিদিন কিছুক্ষণ নিজের পছন্দের কাজ করুন – যেমন গান শোনা, বই পড়া বা আঁকা।
এটি মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়, চাপ কমায় এবং মন ভালো রাখতে সাহায্য করে।
Fresh stories, announcements and offers about Dermatologist, Hospital, Homeopath, straight from our business.
এটি মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়, চাপ কমায় এবং মন ভালো রাখতে সাহায্য করে।
এটি মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়, চাপ কমায় এবং মন ভালো রাখতে সাহায্য করে।
এই অভ্যাস রক্ত সঞ্চালন ভালো রাখে, পিঠ ও ঘাড়ের ব্যথা কমায় এবং ক্লান্তি দূর করে।
নিরামিষ খাবার হজমে সহায়ক, হৃদয় সুস্থ রাখে এবং শরীরকে বাড়তি বিশ্রাম দেয়।
নিয়মিত দাঁতের যত্ন নিন – দিনে দু’বার ব্রাশ করুন এবং ফ্লস করুন। সুস্থ দাঁত ও মাড়ির জন্য এটি অত্যন্ত জরুরি এবং বিভিন্ন মুখগহ্বর সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
অবশ্যই, এলার্জির সম্ভাব্য কারণ হিসেবে যেসব খাবার সাধারণত বেশি পরিচিত, তাদের একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো। তবে মনে রাখতে হবে, কারো ক্ষেত্রে একটি খাবার এলার্জির কারণ হলেও অন্য কারো ক্ষেত্রে তা নাও হতে পারে। এলার্জি সৃষ্টি করতে পারে এমন সাধারণ খাবারের তালিকা: ১. দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য গরুর দুধ দই পনির ঘি ২. ডিম বিশেষ করে ডিমের সাদা অংশ ৩. চিংড়ি ও অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ চিংড়ি কাঁকড়া স্কুইড অক্টোপাস টুনা, স্যামন ইত্যাদি ৪. বাদাম মুগডাল/বাদাম চিনাবাদাম (Peanuts) কাঠবাদাম (Almonds) কাজুবাদাম আখরোট (Walnuts) ৫. সয়াবিন ও সয়া পণ্য সয়া দুধ টোফু সয়া সস ৬. গম ও গমজাতীয় পণ্য রুটি পাউরুটি বিস্কুট পাস্তা ৭. চকোলেট ও ক্যাফেইনজাতীয় খাবার কফি চকোলেট কিছু সফট ড্রিঙ্ক ৮. কিছু ফলমূল ও সবজি (যাদের কিছু নির্দিষ্ট এনজাইম বা প্রোটিনে সমস্যা হয়) কলা পেঁপে আনারস স্ট্রবেরি টমেটো ব্রিন্জাল ৯. কিছু খাদ্য রঙ ও প্রিজারভেটিভ (সংরক্ষণকারী রাসায়নিক) আর্টিফিশিয়াল কালার সালফাইট (Sulfites) মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট (MSG) যদি আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ কোনো নির্দিষ্ট খাবারে সংবেদনশীল হন, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাবার নির্বাচন করা উচিত। প্রয়োজনে এলার্জি টেস্টও করা যেতে পারে।
চোখে সমস্যা না থাকলেও বছরে অন্তত একবার চোখ পরীক্ষা করান। প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক চোখের রোগ ধরা পড়ে এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করা যায়।
খাওয়ার সময় মনোযোগ দিয়ে খান, ফোন বা টিভি দেখা এড়িয়ে চলুন। এতে খাবার ভালোভাবে হজম হয়, অতিরিক্ত খাওয়া কমে এবং খাবারের প্রতি সচেতনতা বাড়ে।
চিনি ও অতিরিক্ত লবণ খাওয়া কমিয়ে দিন। এই অভ্যাস উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
প্রতিদিন কিছু ভালো কাজ বা ইতিবাচক চিন্তা করুন। ইতিবাচক মনোভাব মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করে, আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং জীবনের প্রতি উৎসাহ জাগায়।